http://www.ajkalerkhobor.com/rss.php?id=0

আমি আগুনে পুড়ে যাচ্ছি, আমাকে বাঁচাও’

নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজে ছিলেন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার নগরহাওলা গ্রামের দুই পরিবারের পাঁচ সদস্য। শিশুসহ দুজন মারা গেছেন। বাকিরা হাসপাতালে। তাঁদের একজন নেপালের কাঠমান্ডু টিচিং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মেহেদী হাসান। উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগমুহূর্তে ঠিক কী ঘটেছিল, সে সম্পর্কে গতকাল বুধবার টেলিফোনে কথা বলেছেন প্রথম আলোর সঙ্গে।
‘সবকিছুই ছিল স্বাভাবিক। কেবিন ক্রু সুন্দর করে ঘোষণা দিলেন, কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমান ল্যান্ড করবে। আমরাও নামবার জন্য প্রস্তুত। বিমানটি যখন অবতরণের জন্য রানওয়ের দিকে এগোচ্ছে, হঠাৎ ভূমির কাছাকাছি এসেও আবার ওপরে উঠে গেল। রানওয়ে ছুঁতে গিয়েও ব্যর্থ হলো


Previous
Next Post »