http://www.ajkalerkhobor.com/rss.php?id=0

সামারাকে রেখে চলে গেলেন সালমা

মেয়েকে সব সময় চোখে চোখে রাখতেন সালমা। অফিসে যাওয়ার সময় সঙ্গে নিয়ে যেতেন। অফিসের ডে কেয়ার সেন্টারে রাখতেন। অফিস শেষে মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফিরতেন। মাকে ছাড়াই এখন বড় হতে হবে শিশুটিকে। সালমার আড়াই বছর বয়সী শিশুকন্যা সামারা আজ সারা দিন ধরে কাঁদছে বলে জানালেন সালমার বড় ভাই আনোয়ার সাদাত।
গতকাল সোমবার নেপালের কাঠমান্ডুতে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজের যাত্রী ছিলেন সালমা। তিনি ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের জেনারেল ইকোনমিক ডিভিশনের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট চিফ। দুই দিনের অফিসের কাজে সোমবার দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে কাঠমান্ডুর উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহকর্মী নাজিয়া আফরিন। দুজনের কেউই এখন বেঁচে নেই।
Previous
Next Post »