ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে পৃথিবীর সংস্কৃতি। ভারতও তার ব্যাতিক্রম নয়।
যেমন এক ক্লিকে অনলাইন শপিংয়ে ক্রমশ লোক বাড়ছে, ঠিক তেমনিই যৌনতা নিয়ে
পরীক্ষানিরীক্ষা করার লোকও বাড়ছে। ইন্টারনেটে -র দৌলতে রোজকার সম্পর্কের
বিভিন্ন মোচড়েও বদল এসেছে। পর্ণহাব বলে একটি সংস্থা তাঁদের সাম্প্রতিক
পরিসংখ্যানে যে তথ্য তুল এনেছেন দেখলে চমকে যাবেন।
২০১৭ সালে কোথায় কোথায় ভারত র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়েছে তা জানা নেই, কিন্তু
পর্নোগ্রাফি দেখার সামনের সারিতে থাকা দেশেগুলির মধ্যে তিন নম্বরে চলে
এসেছে ভারত। ভারতের আগে শুধু রয়েছে আমেরিকা ও ইংল্যান্ড। ২০১৬ রিসার্চে
যেখানে পর্ণগ্রাফি দেখার মহিলাদের শতাংশ ০ ছিল, তা একধাক্কায় ২০১৭ সালে
বেড়েছে ১২৯ শতাংশ। মহিলারা আস্তে আস্তে নিজেদের গায়ের লোক-লজ্জা, সামাজিক
অনুশাসনের বেড়াটা ভাঙছেন। নিজেদের যৌনতা-র চাহিদা নিয়ে ধীরে ধীরে অবাধ
হচ্ছেন ভারতীয় মহিলারা।
সারা পৃথিবী জুড়ে মহিলারা যে ধরণের পর্ণোগ্রাফি খোঁজ করেন তার মধ্যে
শীর্ষে লেসবিয়ান পর্ণ। এরপরেই রয়েছে থ্রি সাম। শুধু সমকামি পর্ণ নয়,
মহিলারা একেবার হার্ডকোর পর্ণেও কম রুচি নেন না।
সারা পৃথিবীতে পর্ণোগ্রাফির সবচেয়ে বেশি সার্চড হচ্ছেন কিম
কারদাশিয়ান।বিলিয়নিয়ার ব্যবসায়ী কন্যা, তিনি বিখ্যাত হয়েছেন টিভি রিয়ালিটি
শো,তে অ্যাঙ্কারিং করে। তবে তাঁকে খ্যাতির চুড়োয় নিয়ে গেছে তাঁর
ইনস্টাগ্রামের ছবি ও ভিডিও। যেখানে তাঁর উত্তেজক ছবি ও ভিডিও রেয়এছ। যেখানে
তিনি নিজেকে নগ্ন ছবি প্রকাশ করতেও পিছপা হননি কিম। হতে পারে তাঁর এমনসব
উত্তেজক মুহূর্তের জন্যই তাঁকে পর্ণস্টার ভেবে ভুল করেছেন সারা বিশ্বের
মহিলারা। তাই মোস্ট সার্চড পর্নস্টারের তালিকায় রয়েছেন তিনি। যদিও আদৌ তিনি
আদৌ পর্ন স্টার নন। মিয়া খালিফা রয়েছেন তিন নম্বরে। আর ভারতের দেশি গার্ল
সানি লিওনি রয়েছেন ছ নম্বরে।
তবে ভারতের বাজারে এখনও কিম কারদাশিয়ানের আসর জমাতে দেরি আছে। কারণ সেখানে
সকলের হৃদয়ে রাজ করেন সানি লিওনি। ভারতের সার্চ লিস্টের রাণী সানিই।
এছাড়াও ভারতীয়দের আসক্তি রয়েছে যেসব কি ওয়ার্ডে সেগুলি হল 'ইন্ডিয়ান
ওয়াইফ', 'ইন্ডিয়ান কলেজ', 'ইন্ডিয়ান ভাবি-দেবর'ক্যাটাগরিই ২০১৭ সালে রাজ
করেছে।

ConversionConversion EmoticonEmoticon