http://www.ajkalerkhobor.com/rss.php?id=0

ছাত্রদল নেতার লাথিতে গৃহবধূর গর্ভপাত!


বগুড়া শহর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামের লাথিতে গৃহবধূর গর্ভপাত ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঋণের টাকার সুদ না পেয়ে গত শুক্রবার শহরের চেলোপাড়া এলাকায় ওই গৃহবধূর পেটে রবিউল লাথি মারেন বলে অভিযোগে বলা হয়। লাথির ঘটনায় রক্তক্ষরণ শুরু হলে ওই নারীকে হাসপাতালে নেওয়ার পর গর্ভপাত হয়।

ওই গৃহবধূর নাম শাপলা বেগম (২১)। তিনি বর্তমানে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর স্বামীর নাম শফি আহমেদ।

উত্তর চেলোপাড়া এলাকার বাসিন্দা শফি আহমেদ বলেন, তিন মাস আগে সাংসারিক প্রয়োজনে রবিউলের সমিতি থেকে তিনি স্ত্রী শাপলা বেগমের নামে ১০ হাজার টাকা ঋণ নেন। সময় মতো ঋণের টাকা পরিশোধও করে দেন। কিন্তু রবিউল তাঁর কাছে সুদ বাবদ আরও টাকা দাবি করেন। তাঁরা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রবিউল ও তাঁর সহযোগীরা এসে তাঁদের বাসা থেকে খাট, সোফা সেটসহ কাঠের বেশ কিছু আসবাবপত্র নিয়ে যান। গত শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে ওই আসবাবপত্র চাইতে গেলে দত্তবাড়ি সেতুর কাছাকাছি চেলোপাড়া এলাকায় শাপলার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় রবিউলের। একপর্যায়ে রবিউল ক্ষিপ্ত হয়ে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা শাপলার পেটে লাথি মারেন। সঙ্গে সঙ্গে রক্তক্ষরণ শুরু হলে প্রথমে মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল এবং পরে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে গর্ভপাতের বিষয়ে আশঙ্কা করা হয়। গত শনিবার আলট্রাসনোগ্রাফি করা হলে গর্ভপাতের বিষয়টি ধরা পড়ে। ওই দিন থানায় রবিউল ইসলাম ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।
Previous
Next Post »