গুরমিত রাম রহিম সিং। ফাইল ছবিজামিন পেয়েছেন বিতর্কিত ‘ধর্মগুরু’ গুরমিত রাম রহিম সিং। পুরুষ ভক্তদের নপুংসক করার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় শুক্রবার হরিয়ানার একটি আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছেন।তবে মুক্তি পাচ্ছেন না রাম রহিম। ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে ২০ বছর কারাদণ্ড ভোগ করছেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে দুই হাজার নারীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ রয়েছে।
পুরুষ ভক্তদের নপুংসক করার মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো (সিবিআই) রাম রহিমের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। অভিযোগপত্রে তাঁর সঙ্গে দুই চিকিৎসককেও দোষী বলে উল্লেখ করা হয়। পংকজ গর্গ ও এমপি সিং নামের ওই দুই চিকিৎসক রাম রহিমের পুরুষ ভক্তদের নপুংসক করার কাজটি করেন বলে অভিযোগপত্রে তুলে ধরা হয়। নিজের ডেরার ৫০০ ভক্তের মধ্যে ১৭৫ জনকে নপুংসক করে ‘খোজা বাহিনী’ তৈরি করেছিলেন রাম রহিম। এই বাহিনীর দায়িত্বের মধ্যে ছিল তাঁর ‘আবাসিক নারী ভক্তদের’ পাহারা দেওয়া।
২০০২ সাল থেকে রাম রহিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যাসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ আসতে শুরু করে। তিনি যৌন নিপীড়ন করেছেন অভিযোগ করে তাঁরই শিষ্যরা বেনামে চিঠি লেখেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ি ও পাঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে। হাইকোর্ট সিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। তাঁর ডেরারই এক নারী ভক্তের বেনামি চিঠিতেই পতনের সূচনা রাম রহিমের। দুই নারী ভক্তকে ধর্ষণের দায়ে গত বছরের ২৮ আগস্ট রাম রহিমের ২০ বছর কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। রায় ঘোষণার পর ভারতের পাঁচ রাজ্যে রাম রহিমের ভক্তদের সহিংসতায় ৪১ জন নিহত হন।
ConversionConversion EmoticonEmoticon